রাজশাহী ব্যুরো: তথ্য অধিকার আইনের আওতায় চাওয়া তথ্য না দেওয়া, আবেদন গ্রহণে অনীহা এবং পেশাগত কাজে অসহযোগিতার অভিযোগে রাজশাহী-এর একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এক সাংবাদিক।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ওই সাংবাদিক গত ২৬ এপ্রিল রাজশাহী টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি)-এ যান। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে তথ্য না দিয়ে বিভিন্ন সময় আসতে বলেন এবং বারবার ঘুরতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ নাজমুল হক তথ্য প্রদানে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন এবং প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরে ভুক্তভোগী তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিলের চেষ্টা করলে সেটি গ্রহণ করা হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে প্রবেশে বাধা এবং মুঠোফোনে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তোলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলোর অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত আছে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, “জনস্বার্থে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে আমি কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাইনি। বরং আবেদন গ্রহণ না করে আমাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।” তিনি জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ নাজমুল হক বলেন, চাওয়া তথ্য সরবরাহের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে।
উল্লেখ্য, সাংবাদিকের পক্ষ থেকে গত দুই বছরে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা, আয়-ব্যয়ের হিসাব, প্রশিক্ষক নিয়োগ, জব প্লেসমেন্ট এবং চলমান কোর্স সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা জানিয়েছেন
এ জাতীয় আরো খবর..