আজকের তারিখঃ | খ্রিস্টাব্দ | বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মোহনপুরে পুরোনো ভবনে ছাদ ধস, প্রাণে বাঁচলেন যুব কর্মকর্তা নওহাটায় পৌর বিএনপির উঠান বৈঠকে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঋণ না দিয়ে চেক তৃতীয় পক্ষের হাতে হস্তান্তরের অভিযোগ আশা কর্মীর বিরুদ্ধে মোহনপুরে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মা নিহত, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন বাবা পবা থানায় মারপিটের মামলা না নেওয়ায় ওসির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন মোহনপুরে একই গ্রামে দুই সার ডিলার? বর্তমান ডিলারের শ্যালকের আবেদন ঘিরে প্রশ্ন রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান আর নেই মোহনপুরে ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিএনপি নেতা ইউনুসের মোটরসাইকেল শোডাউন জনগণের দ্বারপ্রান্তে সেবা পৌঁছে দেব: এমপি মিলন ২৪ বছর বেতন-ভাতা ছাড়াই পাঠদান, এবার আধুনিকায়নের উদ্যোগ বড়গাছী স্কুলে সেই অধ্যক্ষ মালেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা, অভিযোগ চাঁদাবাজি-ধর্ষণ প্রাইভেট কারের ধাক্কায় বিএনপি নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কাজিম আহত ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের প্রেমের ফাঁদে নবম শ্রেণির ছাত্রী, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর গ্রেপ্তার মোহনপুরে মাদকের বিরুদ্ধে মাইকিং, ধরিয়ে দিলে ৫ হাজার টাকা পুরস্কার নারীসহ অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল, সংবাদ প্রকাশের পর মাদরাসা সুপার বরখাস্ত মঞ্চে ওসি, পাশে ওয়ারেন্টভুক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি! জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বৃষ্টিভেজা মাঠে মোহনপুরের শিরোপা উৎসব কেশরহাটে বিএনপি'র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠিত মাটির টানে সাংবাদিকতার সাথে কৃষি: কলার বাগান দিয়ে সফলতার নতুন স্বপ্ন সাংবাদিক শাহিন সাগরের নবনিযুক্ত বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিতর্কিত পরিচালকদের ফেরার পথ বন্ধ, বাতিল হচ্ছে ব্যাংক রেজ্যুলেশনের ১৮(ক) ধারা

রিপোর্টারের নাম: Tathya Prokash
  • সংবাদ প্রকাশের তারিখ : Aug 10, 2026 ইং
  • 98 বার
ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক: একীভূত পাঁচ ব্যাংকের পুরোনো ও বিতর্কিত মালিক-পরিচালকদের ফের ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ আর থাকছে না। সংকটে থাকা ব্যাংক পুনর্গঠনের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইনে যুক্ত করা ১৮(ক) ধারা বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

এ সংক্রান্ত ‘ব্যাংক রেজ্যুলেশন (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং শেষে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় সংশোধনীটি কার্যকর করা হবে।

বর্তমান বিধানের ১৮(ক) ধারায় নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অগ্রিম অর্থ পরিশোধের মাধ্যমে সংকটে থাকা বা একীভূত ব্যাংকের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পেত। এ ক্ষেত্রে অগ্রিম অর্থের পরিমাণ ছিল সংশ্লিষ্ট দাবির ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, এ সুযোগ বহাল থাকলে অতীতে ব্যাংক থেকে বিতর্কিতভাবে ঋণ বিতরণ বা ব্যাংকের আর্থিক সংকট তৈরিতে ভূমিকা রাখা পুরোনো পরিচালকরা ফের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারতেন। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সেই সম্ভাবনাই কার্যত বন্ধ হচ্ছে।

খসড়া সংশোধনীতে বলা হয়েছে, ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইন, ২০২৬-এর ১৮(ক) ধারার আওতায় এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন করেনি। ফলে ধারাটি কার্যকর রাখার প্রয়োজনীয়তা নেই বলে মনে করছে সরকার।

তবে ১৮(ক) ধারা বিলুপ্ত হলেও ব্যাংক খাতের সংকট মোকাবিলায় ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইনের অন্যান্য বিধান বহাল থাকবে। মূলধন ঘাটতি, তারল্য সংকট, দেউলিয়াত্ব কিংবা ব্যাংকের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ ঝুঁকি দেখা দিলে রেজ্যুলেশন ব্যবস্থার আওতায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ব্যাংক খাতের বড় ধরনের আর্থিক সংকট মোকাবিলা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যেই ব্যাংক রেজ্যুলেশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেটিকে আইনে রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংসদে উত্থাপনের পর বিশেষ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে কয়েকটি বিধান সংশোধন করে ব্যাংক রেজ্যুলেশন আইন, ২০২৬ পাস হয়।

আইন প্রণয়নের সময় সংকটে পড়া ব্যাংককে সচল রেখে পুনর্গঠন, মূলধন ও তারল্য সংকট কাটানো এবং সরকারের আর্থিক দায় কমানোর লক্ষ্য সামনে রেখে ১৮(ক) ধারা যুক্ত করা হয়েছিল। পাশাপাশি আমানতকারী ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়।

কিন্তু পরবর্তীতে ধারাটির আওতায় কোনো আবেদন না আসায় এটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যাংক খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেজ্যুলেশন কাঠামো চালুর পর অল্প সময়ের মধ্যেই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান বাতিলের উদ্যোগ সরকারের ব্যাংক খাত সংস্কারনীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এ সিদ্ধান্তের ফলে চট্টগ্রামভিত্তিক আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলমসহ সংকটে পড়া বা একীভূত ব্যাংকের পুরোনো বিতর্কিত পরিচালকরা অগ্রিম অর্থ পরিশোধের বিশেষ ব্যবস্থায় ফের ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ হারাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং শেষে সংশোধনী আইনটি চূড়ান্ত হলে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৮(ক) ধারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হবে।

কমেন্ট বক্স

নিউজটি শেয়ার করুন..

এ জাতীয় আরো খবর..